প্রভাত সংবাদ ডেস্ক : চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও শ্রীলঙ্কায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চলছে দিব্যি। কিছুদিন আগেই পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলে গেল অস্ট্রেলিয়া। শনিবার শুরু হচ্ছে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। রাস্তায় বা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে আন্দোলনের দৃশ্য দেখা গেলেও তার কোনো প্রভাব পড়ছে না মাঠের খেলায়। কিন্তু তার পরও এশিয়া কাপ আয়োজন নিয়ে তীব্র হচ্ছে অনিশ্চয়তার মাত্রা। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৭ আগস্ট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এশিয়ার সর্বোচ্চ এই আসরের।
আয়োজক শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি) যদিও বেশ আশাবাদী। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলকে (এসিসি) জানিয়ে দিয়েছে, টুর্নামেন্ট আয়োজনে তৈরি তারা। কিন্তু এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি এসিসি। শ্রীলঙ্কার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিকল্প আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের কথাও মাথায় রেখেছে তারা। চলতি মাসের শেষ দিকে এক সভার পর জানাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
এসিসির এক সূত্র ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে বলেন, এসিসি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সব বিষয় মাথায় রেখে এই মাসের শেষে সভার পর এক সিদ্ধান্ত নেবে।
মূলত অনিশ্চয়তার মাত্রাটা বেড়েছে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি ভবন ও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে চলে যাওয়ায়। যার কারণে কোনো ঝঁুকি নিতে চায় না এসিসি। তাছাড়া অন্যান্য দেশের ক্রিকেট বোর্ডও এমন অস্থিরতার মধ্যে দল পাঠাতে খুব একটা আগ্রহী নয় বলেই জানাচ্ছে ভারতীয় ঐ সংবাদমাধ্যম। তাই হাতে কম সময় থাকায় বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশের কথা ভাবছে এসিসি।
এশিয়া কাপের ১৪ আসরের মধ্যে পাঁচ বার আয়োজকের ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশ। সবশেষ আয়োজন করেছিল ২০১৬ সালে। প্রতি দুই বছর অন্তর এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের রীতি থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে চার বছর পর মাঠে গড়াচ্ছে টুর্নামেন্টটি। যেখানে সরাসরি খেলবে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ। বাকি একটি জায়গার জন্য বাছাইপর্বে লড়বে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, হংকং ও সিঙ্গাপুর। মূলপর্বের আগে ২০ আগস্ট থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে বাছাইপর্ব। টি-২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এবারের আসরটি অনুষ্ঠিত হবে টি-২০ ফরম্যাটে।
#ই/ফা/